বেডরুমে সাপের ঘর তৈরি করে দিয়েছেন সৃজিত
শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬, ১১:২৯ পূর্বাহ্ন

বেডরুমে সাপের ঘর তৈরি করে দিয়েছেন সৃজিত

জৈন্তা বার্তা ডেস্ক

প্রকাশিত: ০৫/০৩/২০২৪ ০৮:৩৬:০৫ পূর্বাহ্ন

বেডরুমে সাপের ঘর তৈরি করে দিয়েছেন সৃজিত

ছবি: সংগৃহীত


সাপ পুষছেন ভারতীয় বাংলা সিনেমার নির্মাতা সৃজিত মুখার্জি। কিছু দিন আগে আইন মেনে একটি অজগর সাপ সৃজিত তার কলকাতার লেক গার্ডেন্সের বাসায় নিয়ে আসেন। বল পাইথন জাতের সাপটির নাম রেখেছেন ‘উলুপী’। আর সাপটির ঘর মাটি-বালি মিশিয়ে পরিচালক তার রেডরুমে তৈরি করে দিয়েছেন।

পাঁচ মাস বয়সী সাপটি সৃজিতের কোলে উঠে খেলা করে; বই পড়ার সময়ে পরিচালককে সঙ্গ দেয়। ভারতীয় একটি গণমাধ্যমে দেওয়া সাক্ষাৎকারে এসব তথ্য জানান সৃজিত। সাপকে পোষ্য করে কেমন দিন কাটছে সৃজিতের? জবাবে পরিচালক বলেন, ‘খুবই মিষ্টি ব্যক্তিত্ব (উলুপীর)। কুণ্ডলী পাকিয়ে শুয়ে থাকতে পছন্দ করে। সাতদিনে একবার খায়, বিকেলে একবার ঘুরতে বের হয়।’

সাপ পোষার ভাবনাটা কীভাবে মাথায় এলো? এ প্রশ্নের উত্তরে সৃজিত বলেন, ‘আমি বরাবরই সাপ ভালোবাসি। ছোটবেলায় সাপুড়ে এলে তাদের সঙ্গে অনেকটা সময় কাটাতাম। বিদেশের পেট শপে গিয়ে বল পাইথন বা কর্ন স্নেকের সঙ্গে সময় কাটিয়েছি ঘণ্টার পর ঘণ্টা। বিদেশে সাপকে যেমন পোষ্য করা যায়, এই শহরেও তেমন হলে ভালো হয়, এরকম মনে হতো। সাপ এলিগেন্ট, মিসআন্ডারস্টুড।’

‘‘দুধ-কলা দিয়ে কালসাপ পোষা’— বাক্যটা এই উপমহাদেশে ব্যবহার করা হয়। কিন্তু সাপ বিশ্বাসঘাতক তা কুসংস্কার বলে মনে করি। বরং কিছু সাপ ভালো পোষ্য। বল পাইথন সেরকম একটা সাপ।’’ বলেন সৃজিত।

সাপের বিষ সাপের কাছেও মূল্যবান। তা উল্লেখ করে সৃজিত বলেন, ‘সব প্রাণীরই একটা এক্সট্রিম ম্যানিফেস্টেশন থাকে। যেমন কুকুরও কাউকে কামড়ে মাংস উপড়ে নিতে পারে। কিন্তু ডোবারম্যানের ব্যবহারের ধরন দিয়ে যেমন ল্যাবরাডর সম্পর্কে ধারণা করা উচিত নয়, তেমনই গোখরা বা কেউটের মতো বিষধর সাপের সঙ্গে বল পাইথনের তুলনা করা ভুল। সাপ বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে কথা বললেও বোঝা যায়, বিষ সাপের কাছেও মূল্যবান। বিষধর সাপও আত্মরক্ষার প্রয়োজনেই সাধারণত সাপ বিষ ব্যবহার করে।’

মানুষের ভাবনার সঙ্গে প্রাণীর ভাবনা বিচারের পদ্ধতি ভুল বলে মনে করেন সৃজিত। তার মতে, ‘একজন মানুষ যেভাবে ভাবছেন, সেই ভাবনার নিরিখে অন্য প্রাণীর ভাবনা বিচার করার পদ্ধতিটা ভুল। উলুপী কী ভাবছে, সেটা আমরা কেউ জানি না। সে বলেনি, তার এই পরিবেশে থাকতে অসুবিধা হচ্ছে। এই বল পাইথনকে কোনো জঙ্গল থেকে তুলে আনা হয়নি। বহু প্রজন্ম ধরে বল পাইথন পোষ্য হিসেবে থাকতে অভ্যস্ত। ওয়াইল্ড কট আর ক্যাপটিভ ব্রিডের মধ্যে ফারাক আছে। বল পাইথন ক্যাপটিভ ব্রিড। তবে হ্যাঁ, বিদেশ থেকে এমন পোষ্য আমদানি করা বেআইনি, শুধু কেন্দ্রীয় সরকারের পরিবেশ ওয়েবসাইটে রেজিস্ট্রি করা দেশের ব্রিডার আর রিসেলারের কাছ থেকে কেনা যায়, যেমন উলুপী এসেছে কেরালা থেকে।’

এম সি



শীর্ষ সংবাদ:

জনস্বার্থে নগরের সড়ক প্রশস্তকরণ ও উন্নয়নে সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে: সিসিক প্রশাসক
সিলেটে প্রযুক্তি গ্রামে ৫২ জাতের ধানের প্রদর্শনী, আধুনিক কৃষির নতুন সম্ভাবনা
সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামের ব্যাপক সংস্কার ও আধুনিকায়ন হবে
ভবন নির্মাণে অ/নিয়ম ঠেকাতে মাঠে সিউক
শেখ হাসিনাকে ফেরাতে ট্রাভেল পাস ইস্যু করা হবে না: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী
মাধবপুরে বিদ্যুৎস্পৃ/ষ্ট হয়ে শ্রমিকের মৃ/ত্যু
সিলেট টেস্টে দারুণ শুরু বাংলাদেশের
সিলেটে ৯ লাখ ৮০ হাজার টাকার ভা/রতীয় কম্বলসহ আট/ক ২
সিসিক প্রশাসকের সঙ্গে সংসদ সদস্য মালেকের বিশেষ বৈঠক
বর্ধিত ওয়ার্ডগুলোর উন্নয়নে ২০৬ কোটি টাকার প্রকল্প পরিকল্পনাধীন: সিসিক প্রশাসক