গালিগালাজ ও অশ্রাব্য শব্দ ব্যবহারই ‘অশ্লীলতা’ নয়
বৃহস্পতিবার, ০৫ নভেম্বর ২০২৬, ১০:২৭ অপরাহ্ন

ভারতের সুপ্রিম কোর্ট

গালিগালাজ ও অশ্রাব্য শব্দ ব্যবহারই ‘অশ্লীলতা’ নয়

জৈন্তা বার্তা ডেস্ক

প্রকাশিত: ১৯/০৭/২০২৬ ০৫:৫১:০১ অপরাহ্ন

গালিগালাজ ও অশ্রাব্য শব্দ ব্যবহারই ‘অশ্লীলতা’ নয়

সংগৃহিত


শুধু গালিগালাজ, অশ্লীল ভাষা বা অশালীন শব্দ ব্যবহার করলেই তা আইনগতভাবে ‘অশ্লীলতা’ হিসেবে গণ্য হবে না বলে রায় দিয়েছেন ভারতের সুপ্রিম কোর্ট। আদালত বলেছেন, কোনো বক্তব্যকে অশ্লীল বলতে হলে সেটি কামোদ্দীপক হতে হবে, যৌন লালসাকে উসকে দিতে হবে এবং মানুষের মনকে কলুষিত বা বিকৃত করার প্রবণতা থাকতে হবে।

ভারতীয় দণ্ডবিধির (আইপিসি) ২৯৪ ধারার অধীনে নিম্ন আদালতের দেওয়া সাজা বহাল রেখে মাদ্রাজ হাইকোর্ট যে আদেশ দিয়েছিলেন, তার বিরুদ্ধে করা এক আবেদনের শুনানিতে এ পর্যবেক্ষণ দেন বিচারপতি সঞ্জয় করোল ও বিচারপতি বিপুল এম পাঞ্চোলির সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ।

আজ রোববার ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানা গেছে।গত শুক্রবার দেওয়া রায়ে সুপ্রিম কোর্ট বলেন, ‘অভিযোগে উত্থাপিত ঘটনাগুলো আক্ষরিক অর্থে সত্য বলে ধরে নিলেও সংশ্লিষ্ট বক্তব্যগুলোকে অশ্লীল বলা যায় না। আদালতের ভাষ্য, অপমানজনক, কুরুচিপূর্ণ বা অমার্জিত শব্দ ব্যবহার করা হলেও তা ভারতীয় দণ্ডবিধির ২৯৪(খ) ধারায় বর্ণিত অশ্লীলতার সংজ্ঞা পূরণ করে না।’

আদালত আরও বলেন, ‘আইনের এ ধারায় অপরাধ প্রমাণের জন্য আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ শর্ত হলো—এ ধরনের আচরণ প্রকাশ্য স্থানে অন্যদের বিরক্তির কারণ হতে হবে। কিন্তু এ মামলায় এমন কোনো অভিযোগ বা প্রমাণ উপস্থাপন করা হয়নি। ফলে ২৯৪(খ) ধারার অধীনে অপরাধ সংঘটিত হয়েছে বলে মনে করার সুযোগ নেই।’

মামলার ঘটনা ২০১৭ সালের আগস্ট মাসে তামিলনাড়ুর একটি কৃষিজমি নিয়ে বিরোধকে কেন্দ্র করে। প্রথমে আবেদনকারীর সঙ্গে তাঁর শ্যালকের বাগ্‌বিতণ্ডা হয়। দুই দিন পর একই সম্পত্তি নিয়ে অভিযোগকারীর ভাগ্নের সঙ্গে তার আরেকটি বিরোধের ঘটনা ঘটে।

রাষ্ট্রপক্ষের অভিযোগ, ওই সময় অভিযোগকারী হস্তক্ষেপ করলে আবেদনকারী তাকে অশ্লীল গালিগালাজ করেন এবং জাতিভিত্তিক কটূক্তি করে মৌখিকভাবে অপমান করেন।

বিচারিক আদালত আবেদনকারীকে ভারতীয় দণ্ডবিধির ২৯৪(খ) (অশ্লীলতা), ৩২৬ (গুরুতর আঘাত) ও ৫০৬(২) (অপরাধমূলক ভীতি প্রদর্শন) ধারার পাশাপাশি তফসিলি জাতি ও তফসিলি উপজাতি (অত্যাচার প্রতিরোধ) আইনের আওতায় দোষী সাব্যস্ত করেন।

পরে মাদ্রাজ হাইকোর্ট তাকে এসসি/এসটি আইনের অধীন অভিযোগ থেকে খালাস দিলেও ভারতীয় দণ্ডবিধির অধীনে দেওয়া সাজা বহাল রাখেন। সেই আদেশের বিরুদ্ধে করা আবেদনের শুনানিতে সুপ্রিম কোর্ট এ পর্যবেক্ষণ দেন।


জৈন্তাবার্তা/সুলতানা



শীর্ষ সংবাদ:

সিলেটে প্রযুক্তি গ্রামে ৫২ জাতের ধানের প্রদর্শনী, আধুনিক কৃষির নতুন সম্ভাবনা
সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামের ব্যাপক সংস্কার ও আধুনিকায়ন হবে
ভবন নির্মাণে অ/নিয়ম ঠেকাতে মাঠে সিউক
শেখ হাসিনাকে ফেরাতে ট্রাভেল পাস ইস্যু করা হবে না: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী
মাধবপুরে বিদ্যুৎস্পৃ/ষ্ট হয়ে শ্রমিকের মৃ/ত্যু
সিলেট টেস্টে দারুণ শুরু বাংলাদেশের
সিলেটে ৯ লাখ ৮০ হাজার টাকার ভা/রতীয় কম্বলসহ আট/ক ২
সিসিক প্রশাসকের সঙ্গে সংসদ সদস্য মালেকের বিশেষ বৈঠক
বর্ধিত ওয়ার্ডগুলোর উন্নয়নে ২০৬ কোটি টাকার প্রকল্প পরিকল্পনাধীন: সিসিক প্রশাসক
ছাতক-গোবিন্দগঞ্জ সড়ক প্রসস্তকরণ কাজের শুরুতেই অনিয়মের অ*ভিযোগ