মাধবপুরে ওয়াটার ট্রিটমেন্ট প্ল্যান্টের ৫ কোটিই পানিতে
বৃহস্পতিবার, ০৫ নভেম্বর ২০২৬, ১০:২৯ অপরাহ্ন

মাধবপুরে ওয়াটার ট্রিটমেন্ট প্ল্যান্টের ৫ কোটিই পানিতে

জালাল উদ্দিন লস্কর ,মাধবপুর প্রতিনিধি

প্রকাশিত: ১৯/০৯/২০২৬ ১২:২৮:১৪ পূর্বাহ্ন

মাধবপুরে ওয়াটার ট্রিটমেন্ট প্ল্যান্টের ৫ কোটিই পানিতে

সংগৃহিত


হবিগঞ্জের মাধবপুর পৌরসভায় বাসাবাড়িতে নিরাপদ ও বিশুদ্ধ পানি সরবরাহের লক্ষ্যে নির্মাণ করা ওয়াটার ট্রিটমেন্ট প্ল্যান্টটি কোনো কাজেই আসছে না। প্রায় পাঁচ বছর ধরে নির্মাণকাজ চলার পর ২০২২ সালের জুনে প্ল্যান্টটি পৌরসভার কাছে হস্তান্তর করা হয়। তবে হস্তান্তরের পর থেকেই এটি কার্যত অচল পড়ে আছে।

এরই মধ্যে প্ল্যান্টের তিনটি গভীর নলকূপের সবকটিই নষ্ট হয়ে গেছে। শুধু তাই নয়, প্ল্যান্ট থেকে পৌরবাসীর বাড়িতে পানি সরবরাহের জন্য প্রয়োজনীয় পাইপলাইনও নেই পৌরসভায়। নতুন পাইপলাইন স্থাপনের কোনো পরিকল্পনা বা উদ্যোগও নেওয়া হয়নি। ফলে ৫ কোটি ৮ লাখ ১২ হাজার টাকা ব্যয়ে নির্মিত এই প্ল্যান্টটি পৌরসভার কোনো কাজে আসছে না।

জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর সূত্রে জানা যায়, পৌরবাসীকে আয়রনমুক্ত বিশুদ্ধ পানি সরবরাহের লক্ষ্যে অধিদপ্তরের উদ্যোগে ২০১৭ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে দেশের প্রায় ৪০টি পৌরসভার সঙ্গে মাধবপুরেও ওয়াটার ট্রিটমেন্ট প্ল্যান্ট স্থাপনের কাজ শুরু হয়। পৌরসভার শ্যামলীপাড়ার উত্তরে স্টেডিয়ামের পূর্ব পাশে প্ল্যান্টটি নির্মাণ করা হয়।

পরিকল্পনা অনুযায়ী, ভূগর্ভস্থ পানি উত্তোলন ও পরিশোধনের পর ৪৫০ ঘনমিটার ধারণক্ষমতার ওভারহেড ট্যাংকে (রিজার্ভার) সংরক্ষণ করে পাইপলাইনের মাধ্যমে পৌরবাসীর মধ্যে সরবরাহ করার কথা ছিল। ঘণ্টায় ২ লাখ লিটার পানি পরিশোধনের সক্ষমতা রয়েছে প্ল্যান্টটির।

৫ কোটি ৮ লাখ ১২ হাজার টাকা ব্যয়ে নির্মিত ওয়াটার ট্রিটমেন্ট প্ল্যান্টটি ২০২২ সালের ২৮ জুন মাধবপুর পৌরসভার কাছে হস্তান্তর করে জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, প্ল্যান্টটি বুঝে পাওয়ার পর এটি চালু ও রক্ষণাবেক্ষণের বিষয়ে পৌরসভার পক্ষ থেকে কার্যকর কোনো উদ্যোগ নেওয়া হয়নি। ফলে প্রায় ২৫ হাজার পৌরবাসী আয়রনমুক্ত বিশুদ্ধ পানি সরবরাহের সুবিধা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন।

এদিকে প্ল্যান্টটির তিনটি গভীর নলকূপই নষ্ট হয়ে যাওয়ায় পানি উত্তোলনও সম্ভব হচ্ছে না। এর সঙ্গে পানি সরবরাহের জন্য প্রয়োজনীয় পাইপলাইন না থাকায় প্ল্যান্টটি চালু হলেও পৌরবাসীর ঘরে পানি পৌঁছানোর সুযোগ নেই।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে পৌর নির্বাহী কর্মকর্তা মো. আমিনুল ইসলাম কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি।

মাধবপুর পৌর প্রশাসক ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. মেহেদী হাসান বলেন, ‘আমি এখানে যোগ দিয়েছি বেশি দিন হয়নি। যোগদানের কিছুদিন পরই ওয়াটার ট্রিটমেন্ট প্ল্যান্ট ও ওভারহেড ট্যাংক পরিদর্শন করে জানতে পারি যে এটি কখনোই চালু হয়নি, যা রীতিমতো বিস্ময়কর।’

জৈন্তা বর্তা / ওয়াদুদ



শীর্ষ সংবাদ:

সিলেটে প্রযুক্তি গ্রামে ৫২ জাতের ধানের প্রদর্শনী, আধুনিক কৃষির নতুন সম্ভাবনা
সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামের ব্যাপক সংস্কার ও আধুনিকায়ন হবে
ভবন নির্মাণে অ/নিয়ম ঠেকাতে মাঠে সিউক
শেখ হাসিনাকে ফেরাতে ট্রাভেল পাস ইস্যু করা হবে না: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী
মাধবপুরে বিদ্যুৎস্পৃ/ষ্ট হয়ে শ্রমিকের মৃ/ত্যু
সিলেট টেস্টে দারুণ শুরু বাংলাদেশের
সিলেটে ৯ লাখ ৮০ হাজার টাকার ভা/রতীয় কম্বলসহ আট/ক ২
সিসিক প্রশাসকের সঙ্গে সংসদ সদস্য মালেকের বিশেষ বৈঠক
বর্ধিত ওয়ার্ডগুলোর উন্নয়নে ২০৬ কোটি টাকার প্রকল্প পরিকল্পনাধীন: সিসিক প্রশাসক
ছাতক-গোবিন্দগঞ্জ সড়ক প্রসস্তকরণ কাজের শুরুতেই অনিয়মের অ*ভিযোগ