চা বাগান সর্দার হ ত্যা: রহস্য উদঘাটন, আলামতসহ আসামি গ্রে ফ তা র
সোমবার, ০৯ নভেম্বর ২০২৬, ০৪:০৭ পূর্বাহ্ন

চা বাগান সর্দার হ ত্যা: রহস্য উদঘাটন, আলামতসহ আসামি গ্রে ফ তা র

মহি উদ্দিন, কুলাউড়া প্রতিনিধি

প্রকাশিত: ০৪/১০/২০২৫ ০৬:৩৬:০০ অপরাহ্ন

চা বাগান সর্দার হ ত্যা: রহস্য উদঘাটন, আলামতসহ আসামি গ্রে ফ তা র

ছবি:নিজস্ব


মৌলভীবাজারের কুলাউড়ার ক্লিবডন চা বাগানের শ্রমিক সর্দার রামবচন গোয়ালা (৪০) হত্যা মামলার রহস্য উদঘাটন করেছে জেলা পুলিশ। এ ঘটনায় হত্যার মূল আসামি গোলাপ সতনামী (৩৩) কে আলামতসহ গ্রেফতার করা হয়েছে।

আসামির কাছ থেকে হত্যায় ব্যবহৃত লাঠি, ভিকটিমের মোবাইল ফোন, জুতা, লাঠি বাঁধার গামছার টুকরা এবং আসামির মোটরসাইকেল জব্দ করা হয়েছে।

কুলাউড়া সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আজমল হোসেন জানান, গত ২৬ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যায় রামবচন গোয়ালা বাড়ি থেকে বের হয়ে নিখোঁজ হন। স্বজনরা অনেক খোঁজাখুঁজি করে  ব্যর্থ হলে ২৭ সেপ্টেম্বর কুলাউড়া থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করেন। পরদিন সকালে জুড়ীর কাপনাপাহাড় চা-বাগান এলাকায় রক্তের দাগ ও স্যান্ডেল দেখে স্থানীয়রা পুলিশে খবর দেন। পরে বাবুনালা ছড়া থেকে তার লাশ উদ্ধার করা হয়।

এ ঘটনার পর পুলিশ সুপার এম.কে.এইচ. জাহাঙ্গীর হোসেন এর  নির্দেশে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস) নোবেল চাকমা ও কুলাউড়া সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আজমল হোসেনের তত্ত্বাবধানে ওসি মো. মুরশেদুল আলম ভূঁইয়ার নেতৃত্বে বিশেষ টিম তদন্ত শুরু করে।

গোপন তথ্য ও প্রযুক্তির সহায়তায় ৩ অক্টোবর ভোরে কামিনীগঞ্জ বাজার থেকে গোলাপ সতনামীকে গ্রেফতার করে পুলিশ। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে সে হত্যার কথা স্বীকার করেছে।

আসামি প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানায়, সেদিন সন্ধ্যায় আসামি গোলাপ সতনামী রামবচনকে মদ খাওয়ার প্রস্তাব দেয় এবং মোটরসাইকেলে রত্না চা বাগানে যায়। সেখানে চন্দন নামের এক ব্যক্তিসহ তারা মদ পান করে। এসময় চাকরি ফেরৎ চাওয়ার প্রসঙ্গ নিয়ে বাকবিতণ্ডা হয়। রামবচন গোলাপকে গালিগালাজ করলে ক্ষিপ্ত হয়ে সে হত্যার পরিকল্পনা করে।

এর আগে ২০১৭ সালে গোলাপ ও রামবচনের কারণে চাকরি হারিয়েছিল, তাই তার দীর্ঘদিনের ক্ষোভ ছিল। রাত আনুমানিক ১০টা ৪০ মিনিটে সাগরনাল চা বাগান থেকে ফেরার পথে বাবুনালা ছড়ার কাছে মোটরসাইকেল থামিয়ে গোলাপ কোদালের হাতল দিয়ে রামবচনের মাথায় একাধিক আঘাত করে। এতে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়।

হত্যার পর গোলাপ পাশ্ববর্তী সোনারূপা চা বাগানে গিয়ে পরিচিত একজনকে  বিষয়টি জানায়। পরে দু’জনে মিলে লাশ টেনে বাবুনালা ছড়ায় ফেলে দেয় এবং গাছপালা ও মাটি চাপা দিয়ে পালিয়ে যায়।

(শনিবার) ৪ অক্টোবর সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (কুলাউড়া সার্কেল) মোঃ আজমল হোসেন। এসময় জুড়ী থানার ওসি মো. মুরশেদুল আলম ভূঁইয়া ও মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই ফরহাদ মিয়া উপস্থিত ছিলেন।

জৈন্তাবার্তা / সুলতানা



শীর্ষ সংবাদ:

জ্ঞান, আলো এবং শুভশক্তির বিজয় হবে- সিসিক প্রশাসক
বিয়ানীবাজার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স হচ্ছে ১০১ শয্যার আধুনিক হাসপাতাল
ইমাম-মুয়াজ্জিনদের কল্যাণে কাজ করতে সরকার দৃঢ়প্রতিজ্ঞ: বাণিজ্যমন্ত্রী
সমবায়ের মাধ্যমে অর্থনৈতিক উন্নয়ন ও স্বনির্ভর সমাজ গঠনে সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে: বিভাগীয় কমিশনার
সিলেট জেলা প্রেসক্লাব-জৈন্তা বার্তার অভ্যন্তরীণ ক্রীড়া প্রতিযোগিতা উদ্বোধন
পীরমহল্লায় উৎপাদক নলকূপের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করলেন সিসিক প্রশাসক
জৈন্তাপুরে প্রায় ১২ লাখ টাকার ভা/রতীয় জিরা ও পিকআপ জ/ব্দ
জগন্নাথপুরে ধানের বীজ কিনতে কৃষকদের ভিড়
জিয়াউর রহমানের আদর্শে ধ্বংসপ্রায় বাংলাদেশ পুনর্গঠন করতে হবে- বাণিজ্যমন্ত্রী
‘সিলেট জেলা প্রেসক্লাব-জৈন্তাবার্তা ক্রীড়া প্রতিযোগিতা’ শুরু রবিবার