ছবি:সংগৃহীত
সিলেট মহানগরীর দক্ষিণ সুরমার তেতলি ইউনিয়নে বিএনপি নেতা গেদা মিয়া হত্যা মামলায় দুইজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। শনিবার (৭ নভেম্বর) মহানগরীর কোতোয়ালি এলাকা থেকে তাদের গ্রেফতার করা হয়। পরে রবিবার (৮ নভেম্বর) আদালতের মাধ্যমে তাদের কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
গ্রেফতারকৃতরা হলেন-দক্ষিণ সুরমার ৩ নম্বর তেতলি ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের সাবেক সদস্য ও লক্ষ্মীপুর গ্রামের মৃত আব্দুল খালিকের ছেলে আলাউদ্দিন এবং একই গ্রামের মৃত সমছু মিয়ার ছেলে ইলিয়াস।
পুলিশ জানায়, গ্রামের মসজিদ ও স্কুল পরিচালনা কমিটির নেতৃত্ব নিয়ে পূর্ববিরোধের জেরে শুক্রবার (৬ নভেম্বর) সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে লক্ষ্মীপুর গ্রামে হামলার শিকার হন গেদা মিয়া। গুরুতর আহত অবস্থায় স্থানীয়রা তাঁকে উদ্ধার করে সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন।
এ ঘটনায় নিহতের ছেলে বাদী হয়ে ১৫ থেকে ২০ জনকে আসামি করে দক্ষিণ সুরমা থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলা দায়েরের পর পুলিশ অভিযান চালিয়ে দুইজনকে গ্রেফতার করে। এ ঘটনায় জড়িত অন্য আসামিদের গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
দক্ষিণ সুরমা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আশরাফ উজ্জামান বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, “হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় দুইজনকে গ্রেফতার করে আদালতে পাঠানো হয়েছে। নিহতের ছেলে বাদী হয়ে ১৫ থেকে ২০ জনকে আসামি করে হত্যা মামলা করেছেন। অন্য আসামিদের গ্রেফতারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।”
প্রসঙ্গত, মসজিদ ও স্কুল পরিচালনা কমিটির নেতৃত্ব নিয়ে গেদা মিয়া ও তাঁর অনুসারীদের সঙ্গে স্থানীয় আলাউদ্দিন ও ইলিয়াসের পক্ষের লোকজনের বিরোধ চলছিল। এর জের ধরে শুক্রবার সন্ধ্যায় প্রতিপক্ষের কয়েকজন গেদা মিয়া ও প্রতিবেশী বাবুল মিয়ার বাড়িতে হামলা চালায় বলে অভিযোগ রয়েছে। এতে গেদা মিয়া গুরুতর আহত হন। পরে হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন। শনিবার ময়নাতদন্ত শেষে বিকেল আনুমানিক ৪টার দিকে তাঁর মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়।
সম্পাদনা নোট: মূল প্রতিবেদনে হামলার সময় ও স্থানসংক্রান্ত তথ্য পুনরাবৃত্তি ছিল; সেগুলো সংক্ষেপ করা হয়েছে। অভিযুক্তদের সম্পৃক্ততার বিষয়টি অভিযোগ হিসেবে উপস্থাপন করা হয়েছে। থানার মামলা নম্বর বা নিহতের রাজনৈতিক পদবি নির্দিষ্টভাবে জানা থাকলে সংবাদে যুক্ত করা যেতে পারে।
জৈন্তা বার্তা/ ওয়াদুদ




