৪৩ দিনেও হয়নি মে*রামত, খোয়াই নদীর বাঁধে ফের ভা*ঙন
শনিবার, ০৭ নভেম্বর ২০২৬, ১২:৪০ পূর্বাহ্ন

উজানের ঢ*ল ও বৃষ্টিতে পানি বাড়ছে, আ*তঙ্কে কয়েক হাজার পরিবার

৪৩ দিনেও হয়নি মে*রামত, খোয়াই নদীর বাঁধে ফের ভা*ঙন

হবিগঞ্জ প্রতিনিধি

প্রকাশিত: ২৫/০৮/২০২৬ ০১:৫৫:৫৭ পূর্বাহ্ন

৪৩ দিনেও হয়নি মে*রামত, খোয়াই নদীর বাঁধে ফের ভা*ঙন

ছবি:সংগৃহীত


হবিগঞ্জ সদর উপজেলার কালীগঞ্জ এলাকায় খোয়াই নদীর ভেঙে যাওয়া বাঁধে আবারও ভাঙন দেখা দিয়েছে। প্রায় দেড় মাস আগে ভেঙে যাওয়া বাঁধটি ৪৩ দিনেও পূর্ণাঙ্গভাবে মেরামত করতে পারেনি পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো)। এরই মধ্যে টানা বৃষ্টি ও ভারতের উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে নদীর পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় বাঁধের ক্ষতিগ্রস্ত অংশে নতুন করে ভাঙন দেখা দিয়েছে। ভাঙনস্থল দিয়ে লোকালয়ে পানি প্রবেশ করায় নতুন করে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে।

রোববার সদর উপজেলার লস্করপুর ইউনিয়নের কালীগঞ্জ এলাকায় খোয়াই নদীর বাঁধে নতুন করে ভাঙন দেখা দেয়। মুহূর্তের মধ্যে ভাঙনস্থল দিয়ে পানি আশপাশের লোকালয়ে প্রবেশ করতে শুরু করে। এতে লস্করপুর ইউনিয়ন এবং পার্শ্ববর্তী বাহুবল উপজেলার লামাতাসী ইউনিয়নের বাসিন্দাদের মধ্যে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে।

এলাকাবাসী জানান, প্রায় দেড় মাস আগে কালীগঞ্জ এলাকায় খোয়াই নদীর বাঁধ ভেঙে সদর ও বাহুবল উপজেলার প্রায় ৫০টি গ্রাম প্লাবিত হয়েছিল। তখন কৃষিজমি, সবজিক্ষেত, মাছের খামার, রাস্তাঘাট ও বসতবাড়িসহ ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়। কৃষি ও সবজি খাতে শত কোটি টাকারও বেশি ক্ষতি হয়েছে বলে স্থানীয়রা দাবি করেন।

তাদের অভিযোগ, বাঁধ ভেঙে যাওয়ার পর পানি উন্নয়ন বোর্ড মেরামতের উদ্যোগ নিলেও ৪৩ দিনেও কাজ পুরোপুরি শেষ হয়নি। ভাঙনস্থলে সাময়িকভাবে সংস্কার করা হলেও তা নদীর পানির চাপ সামাল দিতে পারেনি। ফলে উজানের ঢল ও ভারী বৃষ্টিতে নদীর পানি বাড়তেই দুর্বল অংশটি আবারও ভেঙে যায়।

স্থানীয় বাসিন্দারা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, সময়মতো বাঁধটি টেকসই ও স্থায়ীভাবে মেরামত করা হলে নতুন করে এই পরিস্থিতির সৃষ্টি হতো না। দীর্ঘ সময় ধরে বাঁধের একটি অংশ অরক্ষিত থাকার পরও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ তাদের।

তাদের আশঙ্কা, দ্রুত ভাঙন ঠেকানো না গেলে লস্করপুর ও লামাতাসী ইউনিয়নের নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হতে পারে। এতে নতুন করে হাজারো মানুষ পানিবন্দি হওয়ার পাশাপাশি ঘরবাড়ি, ফসলি জমি, সবজিক্ষেত, পুকুর, মাছের খামার ও গ্রামীণ সড়কের ব্যাপক ক্ষতি হতে পারে।

ভাঙনের খবর পেয়ে রোববার ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন জাতীয় সংসদের হুইপ ও হবিগঞ্জ-৩ আসনের সংসদ সদস্য জি কে গউছ। তিনি ভাঙনকবলিত এলাকা ঘুরে দেখেন এবং স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে কথা বলেন। পরিস্থিতি মোকাবিলায় দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে পানি উন্নয়ন বোর্ডের কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বলেন তিনি।

পানি উন্নয়ন বোর্ড, হবিগঞ্জের নির্বাহী প্রকৌশলী সায়েদুর রহমান বলেন, কালীগঞ্জের বাঁধ মেরামতের কাজ এখনো পুরোপুরি শেষ হয়নি। ভারতে প্রচুর বৃষ্টিপাত হওয়ায় উজান থেকে নেমে আসা প্রবল স্রোতে শনিবার রাত থেকেই খোয়াই নদীর পানি বাড়তে শুরু করে। ভাঙন ঠেকাতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে বলে জানান তিনি।

জৈন্তা বার্তা/ ওয়াদুদ



শীর্ষ সংবাদ:

সিলেটবাসীর প্রত্যাশা পূরণে নগরীর যোগাযোগব্যবস্থা আরও আধুনিক করা হবে- বাণিজ্যমন্ত্রী
রবীন্দ্রনাথের সিলেট সফর ছিল ঐতিহাসিক: সিসিক প্রশাসক
মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরীকে দেখতে গেলেন মন্ত্রী মুক্তাদির ও সিটি প্রশাসক কাইয়ুম
কর্মসংস্থান সৃষ্টি ও বন্ধ কারখানা সচল করতে ৬০ হাজার কোটি টাকার প্যাকেজ বাস্তবায়ন করতে হবে
জৈন্তাপুর মিনি সুইজারল্যান্ড স্পোর্টিং ক্লাবের টি-১২ ক্রিকেট টুর্নামেন্টের ফাইনালে চ্যাম্পিয়ন স্বাগতিকরা
হঠাৎ অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে আরিফুল হক চৌধুরী
সিলেটে যুবলীগের মিছিল থেকে আ/টক ১২ জন
শাল্লায় পুরুষশূন্য ৪০ বাড়িতে ৩ দিন ধরে ভাঙ/চুর, লু/টপাট
জনস্বার্থে নগরের সড়ক প্রশস্তকরণ ও উন্নয়নে সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে: সিসিক প্রশাসক
সিলেটে প্রযুক্তি গ্রামে ৫২ জাতের ধানের প্রদর্শনী, আধুনিক কৃষির নতুন সম্ভাবনা