ছবি:সংগৃহীত
সিলেট সিটি কর্পোরেশনের (সিসিক) প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী বলেছেন, বর্ধিত ওয়ার্ডগুলোতে নগরের অন্যান্য এলাকার মতো সমান নাগরিক সুবিধা নিশ্চিত করতে বিশেষ উন্নয়ন প্রকল্প গ্রহণ করা হয়েছে। ইতোমধ্যে এসব এলাকায় সড়ক, ড্রেন ও স্ট্রিটলাইট স্থাপনের বেশ কিছু কাজ সম্পন্ন হয়েছে। কিছু কাজ চলমান রয়েছে এবং আরও কয়েকটি প্রকল্প টেন্ডার প্রক্রিয়ায় রয়েছে। পর্যায়ক্রমে সব উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হবে।
বুধবার (৪ নভেম্বর) বিকেলে দক্ষিণ সুরমার ৪০, ৪১ ও ৪২ নম্বর ওয়ার্ডের সামগ্রিক উন্নয়ন পরিকল্পনা বাস্তবায়ন ও টেকসইকরণ এবং হোল্ডিং ট্যাক্স চালুসহ বিভিন্ন বিষয়ে এলাকাবাসীর সঙ্গে আয়োজিত মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
সভায় সিসিক প্রশাসক জানান, দক্ষিণ সুরমার ছয়টি ওয়ার্ডে ইতোমধ্যে ৭৩ কোটি টাকার উন্নয়নকাজ সম্পন্ন হয়েছে। আরও ৬৩ কোটি টাকার উন্নয়নকাজ চলমান রয়েছে। এ ছাড়া ১৩৬ কোটি টাকার উন্নয়ন প্রকল্পের টেন্ডার প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়েছে। পাশাপাশি ২০৬ কোটি টাকার আরও উন্নয়ন প্রকল্প গ্রহণের পরিকল্পনা রয়েছে। এসব প্রকল্পের আওতায় সড়ক, ড্রেন, স্ট্রিটলাইট ও ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের উন্নয়নসহ বিভিন্ন অবকাঠামোগত কাজ বাস্তবায়ন করা হবে।
দক্ষিণ সুরমার কুচাই এলাকার একটি কমিউনিটি সেন্টারে আয়োজিত সভায় আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী বলেন, বিভিন্ন ইউনিয়নের অংশবিশেষ সিলেট সিটি কর্পোরেশনের অন্তর্ভুক্ত হওয়ায় এসব এলাকার বাসিন্দারাও নগরের অন্যান্য এলাকার নাগরিকদের মতো সমান সুযোগ-সুবিধা পাওয়ার অধিকার রাখেন। তাদের প্রয়োজনীয় নাগরিক সেবা নিশ্চিত করতে সিটি কর্পোরেশন সর্বাত্মক প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।
তিনি আরও বলেন, দীর্ঘদিন ধরে ২৭টি ওয়ার্ড নিয়ে সিলেট সিটি কর্পোরেশনের কার্যক্রম পরিচালিত হয়েছে। বর্তমানে এর সঙ্গে নতুন করে আরও ১৫টি ওয়ার্ড যুক্ত হয়েছে। কিন্তু ওয়ার্ডের সংখ্যা বাড়লেও সে অনুপাতে সিটি কর্পোরেশনের নিজস্ব আয় বাড়েনি। অথচ নিজস্ব আয় থেকেই উন্নয়ন কার্যক্রম পরিচালনা ও নাগরিক সেবা নিশ্চিত করতে হয়। তাই নগরের উন্নয়ন এবং নাগরিক সেবার পরিধি বাড়াতে নিজস্ব আয় বৃদ্ধি করা জরুরি। এ জন্য তিনি নগরবাসীকে নিয়মিত হোল্ডিং ট্যাক্স পরিশোধের মাধ্যমে সিটি কর্পোরেশনের উন্নয়ন কার্যক্রমে সহযোগিতা করার আহ্বান জানান।
সিসিকের সচিব মো. আশিক নূরের সভাপতিত্বে সভায় বক্তব্য দেন প্রধান রাজস্ব কর্মকর্তা বিশ্বজিত দেবসহ এলাকার বিশিষ্ট ব্যক্তিরা।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন সিসিকের প্রধান সম্পত্তি কর্মকর্তা পদ্মাসন সিংহ, আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তা (অঞ্চল-২) সুমন চন্দ্র দাশ, এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ শফিকুল ইসলাম, নির্বাহী প্রকৌশলী (বিদ্যুৎ) জয়দেব বিশ্বাস, প্রধান অ্যাসেসর মো. আব্দুল বাছিত, ট্যাক্সেশন অফিসার মো. জামিলুর রহমানসহ সিটি কর্পোরেশনের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা, বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতৃবৃন্দ এবং এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিরা।
জৈন্তা বার্তা/ ওয়াদুদ




