সিসিক প্রশাসকের সঙ্গে সংসদ সদস্য মালেকের বিশেষ বৈঠক
বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ০৯:৩৮ অপরাহ্ন

সিলেট-৩ আসনের ছয় ওয়ার্ডে ৩৪২ কোটি টাকার উন্নয়ন পরিকল্পনা সিসিকের

সিসিক প্রশাসকের সঙ্গে সংসদ সদস্য মালেকের বিশেষ বৈঠক

জৈন্তা বার্তা ডেস্ক

প্রকাশিত: ০৪/১১/২০২৬ ০৯:২৯:২১ অপরাহ্ন

সিসিক প্রশাসকের সঙ্গে সংসদ সদস্য মালেকের  বিশেষ বৈঠক

ছবি:সংগৃহীত


সিলেট সিটি করপোরেশনের (সিসিক) বর্ধিত এলাকাভুক্ত সিলেট-৩ সংসদীয় আসনের ছয়টি ওয়ার্ডের অবকাঠামোগত উন্নয়ন ও নাগরিক সেবার মান বাড়াতে ৩৪২ কোটি টাকার নতুন উন্নয়ন প্রকল্প গ্রহণের পরিকল্পনা করা হয়েছে। এরই মধ্যে এসব ওয়ার্ডে ৭৩ কোটি টাকার উন্নয়নকাজ সম্পন্ন হয়েছে। চলমান রয়েছে আরও ৬৩ কোটি টাকার কাজ। পাশাপাশি ১৩৬ কোটি টাকার প্রকল্পের টেন্ডার প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়েছে।

বুধবার (৪ নভেম্বর) বিকেলে সিসিক প্রশাসকের সম্মেলনকক্ষে সিলেট সিটি করপোরেশনের প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরীর সঙ্গে সিলেট-৩ আসনের সংসদ সদস্য মোহাম্মদ আব্দুল মালেকের বিশেষ দ্বিপক্ষীয় বৈঠকে এসব তথ্য তুলে ধরা হয়। বৈঠকে সিসিকের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারাও উপস্থিত ছিলেন।

বৈঠকে দক্ষিণ সুরমা এলাকার ২৮, ২৯, ৩০, ৪০, ৪১ ও ৪২ নম্বর ওয়ার্ডের ইতোমধ্যে সম্পন্ন ও চলমান উন্নয়ন প্রকল্পের অগ্রগতি পর্যালোচনা করা হয়। পাশাপাশি এসব এলাকার ভবিষ্যৎ উন্নয়ন পরিকল্পনা ও নাগরিক সেবার পরিধি বাড়ানোর বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।

সভায় উপস্থাপিত তথ্য অনুযায়ী, ছয়টি ওয়ার্ডে ৭৩ কোটি টাকার উন্নয়নকাজ সম্পন্ন হয়েছে। ৬৩ কোটি টাকার উন্নয়নকাজ চলমান রয়েছে। এ ছাড়া ১৩৬ কোটি টাকার প্রকল্পের টেন্ডার প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়েছে। পাশাপাশি আগামী দিনে আরও ২০৬ কোটি টাকার উন্নয়ন প্রকল্প গ্রহণের পরিকল্পনা রয়েছে। সব মিলিয়ে সম্পন্ন, চলমান, টেন্ডারকৃত ও পরিকল্পনাধীন প্রকল্পের আর্থিক পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৪৭৮ কোটি টাকা।

বৈঠকে সিসিক প্রশাসক ও সংসদ সদস্য প্রকল্পগুলো দ্রুত এবং গুণগত মান বজায় রেখে বাস্তবায়নের ওপর গুরুত্বারোপ করেন। তাঁরা বলেন, এসব উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে দীর্ঘদিন ধরে অবহেলিত এলাকার অবকাঠামোগত সমস্যার সমাধান হবে এবং নাগরিক সুযোগ-সুবিধা বাড়বে। উন্নয়ন কার্যক্রমে স্থানীয় বাসিন্দাদের চাহিদাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে বলেও তাঁরা উল্লেখ করেন।

সম্পাদনা নোট: আপনার দেওয়া পরিসংখ্যান অনুযায়ী ২০৬ কোটি টাকা নতুন পরিকল্পনাধীন প্রকল্পের সঙ্গে ৭৩+৬৩+১৩৬ কোটি টাকা যোগ করলে মোট ৪৭৮ কোটি টাকা হয়। তাই শিরোনামে ৩৪২ কোটি টাকার পরিবর্তে নতুন পরিকল্পনাধীন প্রকল্পের অঙ্ক ২০৬ কোটি টাকা এবং সামগ্রিক প্রকল্পের অঙ্ক ৪৭৮ কোটি টাকা উল্লেখ করা হয়েছে।

জৈন্তা বার্তা/ ওয়াদুদ