বানিয়াচংয়ে বড়য়ান বিলে হয়ে গেলো পলো উৎসব
সোমবার, ০৯ নভেম্বর ২০২৬, ০৫:৫৩ পূর্বাহ্ন

বানিয়াচংয়ে বড়য়ান বিলে হয়ে গেলো পলো উৎসব

হবিগঞ্জ প্রতিনিধি

প্রকাশিত: ১০/০২/২০২৪ ০৬:৪৯:৩৭ পূর্বাহ্ন

বানিয়াচংয়ে বড়য়ান বিলে হয়ে গেলো পলো উৎসব


হবিগঞ্জের বানিয়াচংয়ে অনুষ্ঠিত হয়ে গেলো গ্রামবাংলার ঐতিহ্যবাহী পলো উৎসব। শনিবার (১০ ফেব্রুয়ারি) সকাল থেকে উপজেলার আতুকুড়া গ্রামের বড়য়ান বিলে এ উৎসব অনুষ্ঠিত হয়।

জেলার বিভিন্ন স্থান থেকে আসা সহস্রাধিক মৎস্য শিকারি পলো উৎসবে অংশ নেন। বাদ যায়নি শিশুরা। একসঙ্গে সহস্রাধিক মানুষের মাছ শিকারের দৃশ্য দেখতে ভিড় করেন দর্শনার্থীরা।


আয়োজক কমিটির সাধারণ সম্পাদক মহিবুল হোসেন উজ্জ্বল জানান, আতুকুড়া গ্রামের বড়য়ান বিলে যুগ যুগ ধরে পলো উৎসবের আয়োজন করা হচ্ছে। একসময় জেলার নবীগঞ্জ, বাহুবল, আজমিরীগঞ্জ, লাখাই ও বানিয়াচং উপজেলায় এ প্রতিযোগিতার প্রচলন ছিল। তখন বিভিন্ন নদী, বিলে এ প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হতো। শুধু মাছ ধরা নয়, এর মাঝে ছিল গ্রামবাংলার ঐতিহ্যের মিশ্রণ। মানুষের বিনোদনের অন্যতম মাধ্যম এটি। বর্তমানে এটি হারিয়ে গেলেও আতুকুড়া গ্রামবাসী এ ঐতিহ্য ধরে রেখেছে।

স্থানীয়রা জানান, প্রতিবছরের ন্যায় এবারও পলো উৎসবের তারিখ নিধারণ করা হয়। আগেই থেকেই জেলার বিভিন্ন স্থান থেকে আসা মৎস্য শিকারিরা জাল, পলো ও অন্যান্য সরঞ্জাম নিয়ে বিলের পাড়ে ভিড় করেন। সকালে বিলে মাছ শিকারে নামেন তারা। কয়েক ঘণ্টাব্যাপী চলে মাছ শিকার।

মহিবুল হোসেন বলেন, বিলগুলোতে বিষ প্রয়োগে মাছ নিধন বন্ধ করা প্রয়োজন। একইসঙ্গে যেসব বিল রয়েছে সেগুলোতেও এ উৎসব চালু করার জন্য সরকারের কাছে দাবি জানান তিনি।

বানিয়াচংয়ের বাসিন্দা নাসিম আহমেদ বলেন, ‌‘শখের বশে প্রতিবছর পলো উৎসবে অংশ নিই। এবার অংশ নিয়ে ছোট-বড় চারটি মাছ পেয়েছি। আমার মতো অনেকেই মাছ পেয়েছেন। তবে আগের তুলনায় এখন বিলে সেরকম মাছ নেই। পলো উৎসবের আগেই বিলের ইজারাদার মাছগুলো জাল ফেলে মেরে ফেলেন।’

মাছ শিকারি সাদত মিয়া বলেন, ‘পলো উৎসবে অংশ নিয়ে খুবই আনন্দ লাগছে। আমরা চাই আমাদের এ ঐতিহ্য যেন অনন্তকাল ধরে চলতে থাকে।’

দর্শনার্থী মিজানুর রহমান বলেন, ‘পলো উৎসব দেখতে এসেছি। এটি আমাদের এলাকার বিনোদনের একটি মাধ্যম। তবে কেউ মাছ পেয়েছে, আবার কেউ পায়নি। আমি অংশ না নিলেও মানুষের এ উৎসব দেখে আমার খুব ভালো লেগেছে।’

আয়োজক কমিটির সভাপতি সোহেল মিয়া বলেন, আমাদের সংগঠনের পোশাক পরে প্রায় ২০০ জন সদস্য পলো উৎসবে অংশ নিয়েছেন। তাদের কেউ মাছ পেয়েছেন, আবার কেউ পাননি। তবে এখানে শুধু মাছ পাওয়া না পাওয়ার বিষয় নয়, এটি আমাদের ঐতিহ্য। আমাদের বিনোদনেরও মাধ্যম।

জৈন্তাবার্তা/এমকে



শীর্ষ সংবাদ:

জ্ঞান, আলো এবং শুভশক্তির বিজয় হবে- সিসিক প্রশাসক
বিয়ানীবাজার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স হচ্ছে ১০১ শয্যার আধুনিক হাসপাতাল
ইমাম-মুয়াজ্জিনদের কল্যাণে কাজ করতে সরকার দৃঢ়প্রতিজ্ঞ: বাণিজ্যমন্ত্রী
সমবায়ের মাধ্যমে অর্থনৈতিক উন্নয়ন ও স্বনির্ভর সমাজ গঠনে সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে: বিভাগীয় কমিশনার
সিলেট জেলা প্রেসক্লাব-জৈন্তা বার্তার অভ্যন্তরীণ ক্রীড়া প্রতিযোগিতা উদ্বোধন
পীরমহল্লায় উৎপাদক নলকূপের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করলেন সিসিক প্রশাসক
জৈন্তাপুরে প্রায় ১২ লাখ টাকার ভা/রতীয় জিরা ও পিকআপ জ/ব্দ
জগন্নাথপুরে ধানের বীজ কিনতে কৃষকদের ভিড়
জিয়াউর রহমানের আদর্শে ধ্বংসপ্রায় বাংলাদেশ পুনর্গঠন করতে হবে- বাণিজ্যমন্ত্রী
‘সিলেট জেলা প্রেসক্লাব-জৈন্তাবার্তা ক্রীড়া প্রতিযোগিতা’ শুরু রবিবার