শেরপুর-৩ (শ্রীবরদী-ঝিনাইগাতী) আসনের জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মোহাম্মদ নুরুজ্জামান বাদল মারা গেছেন।
মঙ্গলবার রাত ৩টার দিকে বাদল মারা যান। তার মৃত্যুর খবর জামায়াতে ইসলামীর ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে নিশ্চিত করা হয়েছে।
ওই পোস্টে জানানো হয়েছে, জামায়াতে ইসলামী শেরপুর জেলা শাখার সেক্রেটারি ও শেরপুর-৩ সংসদীয় আসনে জামায়াত মনোনীত প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল আনুমানিক রাত ৩টায় কিডনিজনিত রোগে হাসপাতালে ভর্তি অবস্থায় ইন্তেকাল করেছেন।
তার শোক সন্তপ্ত পরিবার ও সহকর্মীদেরকে ধৈর্য ধারণের আহ্বান জানানো হয়েছে ফেসবুক পোস্টে।
পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, মঙ্গলবার রাত প্রায় ১০টার দিকে বাদল হঠাৎ গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন। তাকে প্রথমে শ্রীবরদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়েছিল।
দ্রুত চিকিৎসার জন্য তাকে ময়মনসিংহের স্বদেশ হাসপাতালে নেওয়ার পথে রাতে শহরের প্রবেশমুখ স্থানের ব্রিজ এলাকায় তার মৃত্যু হয়।
নুরুজ্জামান বাদল ইসলামী রাজনৈতিক ও সামাজিক কর্মকাণ্ডে সক্রিয় ছিলেন এবং শেরপুর-৩ আসনের প্রতি নিজের রাজনৈতিক দায়িত্ব পালন করেছেন। তার মৃত্যু শোকের ছায়া ফেলেছে স্থানীয় রাজনৈতিক ও সামাজিক মহলে।
এর আগে ২৮ জানুয়ারি বিকালে ঝিনাইগাতী উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে শেরপুর-৩ আসনের নির্বাচনি ইশতেহার ঘোষণা অনুষ্ঠানে চেয়ারে বসাকে কেন্দ্র করে জামায়াত ও বিএনপির নেতা-কর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।
ওই ঘটনায় গুরুতর আহত হন জেলার শ্রীবরদী উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারি রেজাউল করিম। ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার পথে তিনি মারা যান। এই ঘটনা নিয়ে দেশে বেশ আলোচনা তৈরি হয়।
জৈন্তা বার্তা/আরআর




