ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপি থেকে নির্বাচিত সংসদ সদস্যরা শপথ নিয়েছেন। মঙ্গলবার সকাল ১০টা ৩৫ মিনিটে কোরআন তেলোয়াতের মধ্য দিয়ে শুরু হয় শপথগ্রহণ অনুষ্ঠান।
কোরআন তেলাওয়াতের পর নতুন এমপিদের শপথ বাক্য পাঠ করান প্রধান নির্বাচন কমিশনার এম নাসির উদ্দিন। সকাল ১০টা ৪৬ মিনিটে প্রথম পর্যায়ের শপথ অনুষ্ঠান শেষ হয়।
শপথবাক্যে সংসদ সদস্যরা বলেন, “আমি (যার যার নাম উচ্চারণ) সংসদ সদস্য নির্বাচিত হইয়া, সশ্রদ্ধচিত্তে শপথ বা দৃঢ়ভাবে ঘোষণা করিতেছে যে, আমি যে কর্তব্যভার গ্রহণ করিতে যাইতেছে, তাহা আইন অনুযায়ী ও বিশ্বস্ততার সহিত পালন করিব। আমি বাংলাদেশের প্রতি অকৃত্রিম বিশ্বাস ও আনুগত্য পেষণ করিব এবং সংসদ সদস্যরূপে আমার কর্তব্যপালনকে প্রভাবিত হইতে দেব না।”
শপথ নিতে সকাল ৯টার পর থেকে সংসদ ভবনের প্রধান ফটক দিয়ে একে একে প্রবেশ করেন নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যরা।
টানা তিনটি সংসদ অর্থাৎ ১৫ বছর পর বিএনপির নেতারা সংসদে এলেন। ২০১৪ এবং ২০২৪ সালের দুটি নির্বাচন বয়কট এবং ২০১৮ সালের নির্বাচনে অংশ নিলেও দুপুরে কারচুপির অভিযোগ এনে ভোট বয়কট করে বিএনপি।
এমপিদের শপথ অনুষ্ঠান একাধিক ধাপে সম্পন্ন হবে। বিএনপির এমপিদের শপথের পর বিভিন্ন দল ও স্বতন্ত্র সদস্যদের শপথ আলাদাভাবে পড়ানো হবে। শপথের পর রয়েছ বইয়ে স্বাক্ষর গ্রহণ অনুষ্ঠান।
জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় নতুন সরকারের শপথ অনুষ্ঠান ঘিরে নেওয়া হয়েছে তিন স্তরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা। দায়িত্ব পালন করবেন পুলিশ, র্যাব, সেনাবাহিনী ও বিজিবির ১৫ হাজার সদস্য। স্ট্যান্ডবাই থাকবে সোয়াট, বম্ব ডিসপোজাল ও কে-নাইনের মতো বিশেষায়িত ইউনিট।
নির্বাচনে ২৯৭টি আসনের মধ্যে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) পেয়েছে ২০৯টি আসন এবং বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী পেয়েছে ৬৮টি আসন। জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) ছয়টি এবং স্বতন্ত্র প্রার্থীরা সাতটি আসনে জয়ী হয়েছেন।
জৈন্তা বার্তা/আরআর




