ফাইল ছবি
রাজধানীর বায়তুল মোকাররম মসজিদ এলাকায় রাজনৈতিক সভা-সমাবেশ বন্ধের বিষয়ে পদক্ষেপ নিতে সরকারকে নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট।
মঙ্গলবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) হাইকোর্টের একটি বেঞ্চ এ নির্দেশ দেন।
এর আগে, বায়তুল মোকাররম মসজিদ এলাকায় রাজনৈতিক মিছিল, বিক্ষোভ অবৈধ করার নির্দেশনা চেয়ে হাইকোর্টে রিট পিটিশন দায়ের করা হয়। এ বিষয়ে আগামী ৯০ দিনের মধ্যে ধর্ম মন্ত্রণালয়, ইসলামিক ফাউন্ডেশন, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও ডিএমপি কমিশনারকে নিষ্পত্তির জন্য আদেশ দেন হাইকোর্ট।
বায়তুল মোকাররম বাংলাদেশের জাতীয় মসজিদ। এটি রাজধানী ঢাকার প্রাণকেন্দ্র পল্টনে অবস্থিত। ১৯৬৮ সালে মসজিদটির নির্মাণ কাজ সম্পন্ন হয়। বিভিন্ন সময় মসজিদের উত্তর গেট থেকে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীরা বিক্ষোভ মিছিল বের করেন। এতে ওই এলাকায় যানজটের সৃষ্টি হয় এবং হট্টগোল বাঁধে।
রিট পিটিশনে উল্লেখ করা হয়, বিগত কয়েক বছর যাবৎ সাধারণ দিনসহ প্রায় প্রতি শুক্রবার জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররম এলাকায় জুম্মার নামাজের পরে বিভিন্ন ইসলামিক মৌলবাদী রাজনৈতিক দল ও সংগঠনের ব্যানারে সভা, সমাবেশ, মিছিল, বিক্ষোভ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়। উক্ত সভা, সমাবেশ, মিছিল, বিক্ষোভে অংশগ্রহণের জন্য আগত ব্যক্তিরা নামাজ শেষ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে মসজিদের ভিতর থেকেই স্লোগান দিয়ে একযোগে মসজিদ সংলগ্ন সিঁড়ির উপর অবস্থান গ্রহণ করে। এই রকম হুড়োহুড়িতে মসজিদে আগত সাধারণ ধর্ম প্রাণ মুসল্লিগণ আতঙ্কিত বোধ করেন ও নিরাপত্তাহীনতায় ভোগেন। ফলে নির্বিঘ্নে নামাজ আদায়ে বাধাগ্রস্ত হন।
জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমে নিয়মিত সংঘর্ষের ফলে সাধারণ ধর্ম প্রাণ মুসল্লিগণ বায়তুল মোকাররম মসজিদে জুম্মার নামাজসহ নিয়মিত ৫ ওয়াক্ত নামাজ আদায় করতে গিয়ে ভয়ে আতঙ্কিত থাকেন। যা আমাদের মহান সংবিধানের ৪১ অনুচ্ছেদ পরিপন্থি। কোনো মসজিদ কোনো রাজনৈতিক দলের দলীয় কার্যালয় নয়, মুসলিম ধর্মপ্রাণ মানুষদের ইবাদতের স্থান।
জৈন্তাবার্তা/জেএ




