ছবি : সংগৃহীত
অতুলনীয়, বিস্ময়কর এবং চোখ জুড়ানো এক প্রদর্শনী—কোনো উপমায় ব্যাখ্যা করবেন লিওনেল মেসির ম্যাজিক? সব উপমারাও হয়ত এই ম্যাজিকের কাছে হার মানবে। অবশ্য হার তো মানারই কথা। এক সপ্তাহ পর ৩৯ বছরে পা রাখতে যাওয়া মেসি তো আজ উপহার দিলেন তেমনই রূপকথা।
নিজের ষষ্ঠ বিশ্বকাপে এসে পেয়ে গেলেন প্রথম বিশ্বকাপ হ্যাটট্রিকের দেখা। সেই সঙ্গে গড়ে ফেললেন একাধিক ইতিহাস।
কানসাসে আর্জেন্টিনার জার্সিতে মেসি যখন আজ মাঠে নামেন তখনই গড়ে ফেলেন আর্জেন্টিনার জার্সিতে ২০০ ম্যাচ খেলার ইতিহাস। এরপর দুই অর্ধ মিলিয়ে তিনি উপহার দেন তিনটি গোল। যার মধ্যে প্রথম গোল করে বিশ্বকাপে সর্বোচ্চ স্কোয়ারের তালিকায় কিলিয়ান এমবাপ্পের সঙ্গে সেরা তিনে ঢুকে যান মেসি।
বিরতির পর দ্বিতীয় গোল করে ছুঁয়ে ফেলেন দুই থাকা রোনালদো নাজারিওর করা ১৫টি গোলের মাইলফলককে। এরপর এসে যায় হ্যাটট্রিক মোমেন্ট। ম্যাচের ৭৬তম মিনিটে একদম ডি বক্সের বাইরে থেকে চোখ ধাঁধানো গোলে বিশ্বকাপে নিজের প্রথম হ্যাটট্রিক আদায় করে নেন আর্জেন্টাইন জাদুকর।
সেই হ্যাটট্রিকের মধ্যে দিয়েই আর্জেন্টাইন অধিনায়ক ছুঁয়ে ফেলেন বিশ্বকাপে সর্বোচ্চ গোল করা ক্লোসাকে। বিশ্বকাপে মেসির গোল এখন ক্লোসার সমান ১৬টি। আর মাত্র একটি গোল করলেই বিশ্বকাপে এককভাবে সর্বোচ্চ গোল স্কোরারের মালিক হবেন আর্জেন্টাইন জাদুকর।
অথচ কাতারে শিরোপা জয়ের পর মেসি এই বিশ্বকাপ খেলবেন কিনা সেটা নিয়েই ছিল হাজারও প্রশ্ন! অথচ মাঠে নেমে সেই লিওনেল মেসিই হয়ে গেলেন ইতিহাসের অংশ। হ্যাটট্রিক দিয়ে শুরু করা মেসি বনে গেলেন বিশ্বকাপ ইতিহাসের সর্বোচ্চ স্কোরার। সেই সঙ্গে আর্জেন্টিনাকে উপহার দিলেন দুর্দান্ত জয়।
আলজারিয়ার বিপক্ষে বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচের শেষ থেকে শুরু। পুরোটাই দেখেছে মেসি ম্যাজিক। সেই ম্যাজিকে চড়ে বিশ্বকাপে নিজের প্রথম ম্যাচে ৩-০ গোলের বড় ব্যবধানে জয় পেয়েছে ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনা।
জৈন্তাবার্তা/আরআর




