সংগৃহীত
স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম বলেছেন, ‘স্বৈরাচার আওয়ামী লীগকে আর বাংলাদেশের রাজনীতিতে ফিরতে দেওয়া হবে না।’ তিনি দাবি করেন, আগামী ২৩ জুন আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীকে কেন্দ্র করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিভ্রান্তিকর প্রচারণা চালিয়ে জনগণের দৃষ্টি অন্যদিকে সরিয়ে দেওয়ার অপচেষ্টা হতে পারে। এ বিষয়ে সবাইকে সতর্ক ও ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানান তিনি।আজ বৃহস্পতিবার বগুড়ার শহীদ জিয়াউর রহমান শিশু হাসপাতালের বহিঃ ও আন্তঃবিভাগের কার্যক্রম উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয় বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সহধর্মিণী ও বিশিষ্ট হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ ডা. জোবাইদা রহমানের জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে।প্রতিমন্ত্রী বলেন, ২৩ জুনকে ঘিরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নানা ধরনের বিভ্রান্তিকর প্রচারণার মাধ্যমে জনমনে বিভ্রান্তি সৃষ্টির চেষ্টা হতে পারে। কিছু গোষ্ঠী পতিত স্বৈরাচারকে পুনর্বাসনের লক্ষ্যে পরিকল্পিত অপপ্রচার চালাচ্ছে বলেও তিনি অভিযোগ করেন। এসব অপচেষ্টার বিরুদ্ধে সবাইকে সজাগ থাকার আহ্বান জানান তিনি।
তিনি আরও বলেন, ‘গত ১৭ বছর ধরে বগুড়া রাজনৈতিক বৈষম্য ও উন্নয়ন বঞ্চনার শিকার ছিল। বর্তমান সরকার জেলার উন্নয়ন কার্যক্রম এগিয়ে নিতে কাজ শুরু করতেই একটি মহল নানা ধরনের ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হয়েছে। তবে এসব ষড়যন্ত্র কোনোভাবেই উন্নয়নের অগ্রযাত্রা ব্যাহত করতে পারবে না।’স্বাস্থ্যসেবার প্রসঙ্গে মীর শাহে আলম জানান, শহীদ জিয়াউর রহমান শিশু হাসপাতালের পরিকল্পিত ছয়তলা ভবনকে আটতলায় উন্নীত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি হাসপাতালের পাশের একটি বহুতল ভবন অধিগ্রহণ করে চিকিৎসাসেবা সম্প্রসারণের পরিকল্পনাও সরকারের রয়েছে।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বগুড়া-৬ আসনের সংসদ সদস্য ও জেলা বিএনপির সভাপতি রেজাউল করিম বাদশা এমপি। উদ্বোধক হিসেবে বক্তব্য দেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব কামরুজ্জামান চৌধুরী।বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বগুড়া-৪ আসনের সংসদ সদস্য ও জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মোশারফ হোসেন, বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা একেএম মাহবুবুর রহমান, বগুড়া সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক এম আর ইসলাম স্বাধীন এবং বগুড়া জেলা পরিষদের প্রশাসক আহসানুল তৈয়ব জাকিরসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা।আয়োজকরা জানান, দিনব্যাপী কর্মসূচির অংশ হিসেবে সাধারণ মানুষের জন্য বিনামূল্যে হৃদরোগ বিষয়ে চিকিৎসা পরামর্শ প্রদান করা হয়। একই সঙ্গে হৃদরোগ প্রতিরোধে জনসচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে একটি আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়।
জৈন্তাবার্তা/সুলতানা




