ছবি:সংগৃহীত
সিলেট অঞ্চলে টেকসই মৃত্তিকা ব্যবস্থাপনা ও ফসল উৎপাদনে চুন প্রয়োগ প্রযুক্তির গুরুত্ব তুলে ধরে এক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার মৃত্তিকা সম্পদ উন্নয়ন ইনস্টিটিউট (এসআরডিআই), সিলেট বিভাগীয় কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে এ সেমিনারের আয়োজন করা হয়।
সেমিনারে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মৃত্তিকা সম্পদ উন্নয়ন ইনস্টিটিউটের অ্যানালাইটিক্যাল সার্ভিসেস উইংয়ের পরিচালক মো. জয়নাল আবেদীন।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি বলেন, টেকসই মৃত্তিকা ব্যবস্থাপনা ও ফসল উৎপাদন নিশ্চিত করতে গবেষণা কার্যক্রম আরও জোরদার করতে হবে। পাশাপাশি সম্মিলিত প্রচেষ্টার মাধ্যমে এসআরডিআইকে আরও এগিয়ে নিতে হবে। তিনি কৃষকদের মাটি পরীক্ষা করে পরিমিত সার ব্যবহারে উদ্বুদ্ধ করার ওপরও গুরুত্বারোপ করেন।
সেমিনারে সভাপতিত্ব করেন এসআরডিআই সিলেট বিভাগীয় কার্যালয়ের প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা মো. কামাল হোসেন। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন সিলেট বিভাগীয় গবেষণাগারের বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা সালেহ আহমদ।
অনুষ্ঠানে সম্মানিত অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর, সিলেট অঞ্চলের অতিরিক্ত পরিচালক কৃষিবিদ ড. মো. মোশাররফ হোসেন, সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের মৃত্তিকা বিজ্ঞান বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মো. আব্দুল আজিজ, সিলেট কৃষি প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউটের অধ্যক্ষ কৃষিবিদ সুব্রত কুমার চক্রবর্তী এবং বীজ প্রত্যয়ন এজেন্সির সিলেট অঞ্চলের আঞ্চলিক বীজ প্রত্যয়ন কর্মকর্তা কৃষিবিদ মো. সামছুদ্দিন আহমেদ।
এছাড়া কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর, সিলেটের উপপরিচালক মো. শামসুজ্জামানসহ বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
সেমিনারে স্বাগত বক্তব্য দেন এসআরডিআই সিলেট বিভাগীয় কার্যালয়ের বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা দীপ্ত চক্রবর্তী।
অনুষ্ঠানে ‘সিলেট বিভাগের ভূমি ও মাটির পুষ্টি উপাদানের বর্তমান অবস্থা’ শীর্ষক প্রেজেন্টেশন উপস্থাপন করেন প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা মো. কামাল হোসেন। অন্যদিকে ‘সিলেট অঞ্চলে টেকসই মৃত্তিকা ব্যবস্থাপনা ও ফসল উৎপাদনের জন্য চুন প্রয়োগ প্রযুক্তি’ বিষয়ে প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন এসআরডিআই সিলেট বিভাগীয় গবেষণাগারের প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা হাসান আহম্মদ খান চৌধুরী।
দুইটি প্রেজেন্টেশন নিয়ে মুক্ত আলোচনা পরিচালনা করেন কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর, সিলেট অঞ্চলের অতিরিক্ত পরিচালক ড. মো. মোশাররফ হোসেন।
সেমিনারে সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর, কৃষি প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট, কৃষি তথ্য সার্ভিস, বীজ প্রত্যয়ন এজেন্সি, বিএডিসি, বিএআরআইয়ের সাইট্রাস গবেষণা কেন্দ্র, বিনা উপকেন্দ্র সুনামগঞ্জের কর্মকর্তা, বিভিন্ন এনজিও প্রতিনিধি এবং কৃষক প্রতিনিধিরা অংশগ্রহণ করেন।
জৈন্তা বার্তা/ ওয়াদুদ




