মোবাইকোর্ট পরিচালনা করেন উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভুমি) সাদিক আল শাফিন
সিলেটের গোয়াইনঘাট উপজেলার পিয়াইন নদী থেকে চলছে অবৈধ বালু উত্তোলন। বালু উত্তোলনকে কেন্দ্র করে গড়ে উঠেছে সিন্ডিকেট চক্র। তারা ফুট প্রতি ৩ টাকা হারে চাঁদা নিচ্ছে।
জান গেছে, প্রতিদিন অবৈধ ড্রেজার মেশিন ও নৌকা দিয়ে চলছে বালু লুটের মহোৎসব।
এদিকে খবর পেয়ে গত সোমবার মোবাইকোর্ট পরিচালনা করেন উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভুমি) সাদিক আল শাফিন। তিনি ইজারা বহির্ভূত এলাকা থেকে বালু উত্তোলনের কাজে ব্যবহৃত একটি লিস্টার মেশিন ও পাইপ ধ্বংস করেন। অভিযানের খবর পেয়ে তারা ছটকে পড়ায় জরিমানা করা সম্ভব হয়নি। অভিযান শেষ হওয়ার পর আবারও শুরু হয় তাদের বালু লুট।
স্থানীয় সুত্র জানায়, একটি চক্র গত মাস দেড়েক থেকে লাম্বাকান্দি, কাঁঠালবাড়ী, শিমুলতলাগুচ্ছগ্রাম ও লামনীগাঁও এট শেষাংশ থেকে কয়েক কোটি টাকার বালুলুটপাট করছে। তারা প্রতিদিন নৌকা দিয়ে ছাতক পাচার করছে এই বালু। এ ছাড়াও ড্রেজার মেশিন দিয়ে কয়েক লক্ষ ফুট বালু মজুদ করা হয়েছে। আর এই বালু থেকে ৩টাকা হারে চাঁদা নিচ্ছেন স্থানীয় এক প্রভাবশালী সিন্ডিকেট। এ ছাড়াও রয়েছে জায়গার মালিকানা দাবি করে চাঁদাবাজি। হাওর এলাকা হলেও অনেকেই বনে গেছেন এর অলিখিত মালিক।
কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) সাদিক আল শাফিন বলেন, লীজ বহির্ভূত পিয়াইন নদী থেকে অবৈধ বালু উত্তোলনের বিরুদ্ধে মোবাইলকোর্ট পরিচালনা করা হয়। দুর্গম এলাকা এবং যাতায়াত ব্যবস্থা ভালো না হওয়ায় তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা গ্রহণ করা যাননি। আমাদের আসার আগেই বালু উত্তোলন কারীরাপালিয়ে গেছে।
সাদিক আল শাফিন আরও বলেন, একটি লিস্টার মেশিন পেয়ে ধ্বংস করা হয়েছে। অবৈধ বালু উত্তোলনের বিরুদ্ধে আমাদের অভিযান অব্যাহত থাকবে। তবে কে বা কারা বালু উত্তোলন করছে তাদের খোঁজ পাওয়া যায়নি।
জৈন্তাবার্তা/এমকে




