ছবি:সংগৃহীত
রাজধানীর উত্তরা পশ্চিম থানায় সন্ত্রাসবিরোধী আইনে করা মামলায় গ্রেপ্তার সাংবাদিক আনিস আলমগীরকে আজ সোমবার ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হাজির করা হয়। বিকেল ৫টা ৩৩ মিনিটে তাঁকে আদালতে তোলা হয়। শুনানি শেষে অতিরিক্ত মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জশীতা ইসলাম পাঁচ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।
এ মামলায় পুলিশ আনিস আলমগীরকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য সাত দিনের রিমান্ড চেয়ে আবেদন করে। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা উত্তরা পশ্চিম থানার পুলিশ পরিদর্শক মো. মনিরুজ্জামান রিমান্ড আবেদন করেন। রাষ্ট্রপক্ষে রিমান্ডের পক্ষে শুনানি করেন ঢাকা মহানগরের পাবলিক প্রসিকিউটর ওমর ফারুক ফারুক। আসামিপক্ষের আইনজীবীরা রিমান্ড বাতিল চেয়ে জামিন আবেদন করেন। উভয় পক্ষের শুনানি শেষে আদালত পাঁচ দিনের রিমান্ডের আদেশ দেন।
এর আগে গতকাল রোববার সন্ধ্যার পর আনিস আলমগীরকে ধানমন্ডি এলাকার একটি জিম থেকে গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) কার্যালয়ে ডেকে নেওয়া হয়। রাতভর তাঁকে মিন্টো রোডের ডিবি কার্যালয়ে রাখা হয়।
আজ সোমবার দুপুর ৩টা ৪০ মিনিটে ডিবিপ্রধান মো. শফিকুল ইসলাম জানান, সন্ত্রাসবিরোধী আইনে করা একটি মামলায় সাংবাদিক আনিস আলমগীরকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
পরে জানা যায়, ‘জুলাই রেভল্যুশনারি অ্যালায়েন্স’ নামের একটি সংগঠনের কেন্দ্রীয় সংগঠক আরিয়ান আহমেদ গতকাল রাত ২টার দিকে উত্তরা পশ্চিম থানায় সন্ত্রাসবিরোধী আইনে মামলাটি করেন। মামলায় সাংবাদিক আনিস আলমগীর ছাড়াও অভিনেত্রী মেহের আফরোজ শাওনসহ পাঁচজনকে আসামি করা হয়েছে।
রিমান্ড আবেদনে তদন্ত কর্মকর্তা মো. মনিরুজ্জামান উল্লেখ করেন, সময়স্বল্পতার কারণে ডিবি কার্যালয়ে আনিস আলমগীরকে জিজ্ঞাসাবাদ করা সম্ভব হয়নি। মামলার অন্য পলাতক আসামিদের গ্রেপ্তার, তাঁদের নাম-ঠিকানা সংগ্রহ এবং ঘটনায় আরও কেউ জড়িত কি না-তা জানার জন্য আনিস আলমগীরকে রিমান্ডে নেওয়া প্রয়োজন।
ডেকে নিয়ে প্রায় ২৪ ঘণ্টা গোয়েন্দা পুলিশের কার্যালয়ে রাখার পর আদালতের আদেশে এবার পাঁচ দিন হেফাজতে রেখে তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদের সুযোগ পেল পুলিশ।
জৈন্তা বার্তা/ ওয়াদুদ




