তাহিরপুরে কাজ শেষ হওয়ার ভা'ঙল সেতুর ৫টি গার্ডার
শনিবার, ২৯ অগাস্ট ২০২৬, ০৯:২৯ AM

তাহিরপুরে কাজ শেষ হওয়ার ভা'ঙল সেতুর ৫টি গার্ডার

জাহাঙ্গীর আলম ভূঁইয়া, হাওরাঞ্চল প্রতিনিধি

প্রকাশিত: ১৯/০৫/২০২৬ ০৩:০৫:৩৭ PM

তাহিরপুরে কাজ শেষ হওয়ার ভা'ঙল সেতুর ৫টি গার্ডার


‎সুনামগঞ্জের তাহিরপুরে যাদুকাটা নদীর উপর নির্মাণাধীন ৭৫০ মিটার দৈর্ঘ্যের শাহ আরেফিন-অদ্বৈত মৈত্রী সেতুর পাঁচটি গার্ডার হঠাৎ করে ভেঙে নদীতে পড়ে গেছে। সোমবার ভোররাতে যাদুকাটা নদীর পূর্ব পাশের ৩ ও ৪ নম্বর পিলারের উপরে থাকা সেতুটির ৫টি গার্ডার ভেঙে নদীতে পড়ে যাওয়ার ঘটনা ঘটে।

‎স্থানীয়রা জানান, সকালে হঠাৎ করে বিকট শব্দ হয়। তারা নদীতে গিয়ে দেখেন, সেতুর পূর্ব পাশের পিলারের উপর থেকে পাঁচটি গার্ডার ভেঙে পড়ে গেছে। তাদের অভিযোগ, নির্মাণাধীন সেতুর পাশ থেকে দিনে শেইভ মেশিন ও রাতের আঁধারে অবৈধ ড্রেজার মেশিন দিয়ে বালু উত্তোলনের কারণে সেতুর গার্ডার ভেঙে পড়েছে। এ ছাড়াও শুরু থেকেই রাজনৈতিক প্রশ্রয়ে ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান নিন্মমানের কাজ করেছে। এ নিয়ে সেতুটির নির্মাণকাজ শেষ না হওয়ার আগেই দুই দফায় গার্ডার ভেঙে পড়ল নদীতে।

‎খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ২০১৮ সালে যাদুকাটা নদীতে ৮৬ কোটি টাকা ব্যয়ে ৩ বছর মেয়াদে সেতুটির নির্মাণকাজ শুরু হয়। ২০২১ সালের জুন মাসে কাজ শেষ করার নির্দেশনা দেয়া হয়। যাদুকাটা নদীর বিন্নাকুলি-গরকাটি এলাকায় ৭৫০ মিটার দৈর্ঘ্যের শাহ আরেফিন-অদ্বৈত মৈত্রী সেতুর নির্মাণকাজ পায় তমা কন্সট্রাকশন নামে একটি ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান। পরবর্তীতে সেতুটির ব্যয় কয়েক দফা বাড়িয়ে ১২৯ কোটি টাকায় দাঁড়ায়। কিন্তু ২০২৬ সালে এসেও এর কাজ শেষ হয়নি। সেতুটির ৩০-৩৫ ভাগ কাজ এখনও বাকি রয়েছে।

স্থানীয় বাসিন্দা শাকিল আহমেদ জানান, স্বপ্নের সেতু তৈরি হওয়ার আগেই ভেঙে পড়েছে নদীতে। নির্মাণকাজ শেষ হলে এর উপর দিয়ে চলাচলের সময় যদি ভেঙে পড়ে, তখন জানমালের ক্ষয়ক্ষতি বেশি হবে। আগেই সতর্ক হওয়া উচিত সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের। তা না হলে এর মাশুল আমাদেরকেই দিতে হবে।

যাদুকাটা নদীর বালু-পাথর সমবায় সমিতির সাধারণ সম্পাদক ঘাগড়া গ্রামের হাকিকুল ইসলাম বলেন, ঠিকাদার সেতুর কাজ একেবারে দুর্বলভাবে করেছে। এ ছাড়া রাতের আঁধারে সেতুটির পাশে ড্রেজার দিয়ে বালু তুলে আরও ঝুঁকির মধ্যে ফেলা হয়েছে সেতুটিকে। ৩ বছরের কাজ ৮ বছরেও শেষ হয়নি। এখন শুধু ভেঙে পড়ছে।

‎তাহিরপুর উপজেলা প্রকৌশলী জাহিদুল ইসলাম বলেন, খবর পেয়ে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে নিয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি। সেতুটির পূর্ব পাশের নদীর মাঝখানে থাকা পিলারের ৫টি গার্ডার ভেঙে নদীতে পড়ে গেছে। কী কারণে এগুলো ভেঙে পড়েছে তা সঠিক বলা যাচ্ছে না। এ ঘটনা ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানোর পর এটি খতিয়ে দেখার জন্য একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। তাদের তদন্তের পর বলা যাবে কী কারণে ভেঙে পড়েছে।

জৈন্তাবার্তা / আরআর



শীর্ষ সংবাদ:

উ/দ্বেগ-উ/ত্তেজনা পেরিয়ে সোনাই নদীতে চিরায়ত বাংলার ঐতিহ্যের আয়োজন
সম্প্রীতি ও সৌহার্দ্যের মাধ্যমে আমরা একটি উন্নত সমাজ গড়তে পারি: সিসিক প্রশাসক
সিলেটে বাস-সিএনজি ও মোটরসাইকেলের ত্রিমুখী সংঘর্ষ,
কুলাউড়ায় এনসিপির দুপ/ক্ষের সং/ঘর্ষ, আ/হত ৭
বড়লেখা সীমান্তে বিজিবি-চো/রাকার/বারিদের গো/লাগু/লি
সিলেট সী'মান্তে ৪৬ লাখ টাকার চো'রাই পণ্য জ'ব্দ
সিলেটে হা'মের উপসর্গে আরও ৩ ‍শিশুর মৃ'ত্যু
উপযুক্ত জায়গার অ/ভাবে থ/মকে শাবিপ্রবির মডেল মসজিদ নির্মাণ
রাত ৮টার পর দোকান খোলা রাখলে দা/য় নেবে না ব্যবসায়ী সংগঠন
নজরুলের সাহিত্য ও সংগীত দুই বাংলার সাংস্কৃতিক বন্ধন সুদৃঢ় করেছে- সিসিক প্রশাসক