ছবি সংগৃহীত
কয়েক দিনের বৃষ্টিতে গাজাজুড়ে প্লাবিত হয়ে গেছে শত শত আশ্রয়শিবির। একদিকে ইসরায়েলিদের হামলা অন্যদিকে ভারি বৃষ্টি গাজাবাসীর ওপর খাঁড়ার ঘা হয়ে দাঁড়িয়েছে।
অনেক আশ্রয়শিবিরের তাঁবু উপযুক্তভাবে নির্মিত নয় এবং তাঁবুর গায়ে অসংখ্য ফুটো থ্কায় আরো বিপদে পড়েছে বাস্তুচ্যুতরা। গাজাজুড়ে বাস্তুচ্যুত পরিবারগুলো এখন তাদের সন্তানদের উষ্ণ রাখতে এবং তাদের জিনিসপত্র বাঁচাতে লড়াই করছে।
যদিও আগামী দিনগুলোতে আবহাওয়ার কিছুটা উন্নতি হবে বলে আশা করা হচ্ছে। কারও কারও জন্য এই পরিস্থিতি মৃত্যু ডেকে এনেছে। গত সপ্তাহে হাইপোথার্মিয়ায় ছয় শিশুসহ অন্তত সাতজনের মৃত্যু হয়েছে। এদিকে খান ইউনিসের একটি হাসপাতাল মাঠও প্লাবিত হয়ে গেছে।
গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর ইসরায়েলি আগ্রাসন শুরুর পর থেকে এ পর্যন্ত ফিলিস্তিনের ৪৫ হাজার ৫৪১ জন মানুষের মৃত্যু হয়েছে। একইসঙ্গে আহত হয়েছেন ১ লাখ ৮ হাজার ৩৩৮ জন।
এদিকে গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ইসরায়েরি হামলায় আজ উত্তর জাবালিয়া এবং কেন্দ্রীয় আল-বুরেইজ শিবিরে কমপক্ষে ১০ জন ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। জাতিসংঘ জানিয়েছে, গাজার হাসপাতালগুলোতে ইসরায়েলি বাহিনীর অব্যাহত হামলার কারণে গাজার স্বাস্থ্যব্যবস্থা একেবারেরই ‘ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে’।
জৈন্তা বার্তা/আরআর




