সংগৃহীত
বড়লেখা উপজেলা যুবউন্নয়ন কর্মকর্তা জামাল উদ্দিন নিজ দায়িত্বের পাশাপাশি রয়েছেন পৌরসভার ৯ নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলারের দায়িত্বে। ভুক্তভোগিদের অভিযোগ সংশ্লিষ্ট ওয়ার্ডের বাসিন্দারা বিভিন্ন গুরুত্বপুর্ণ প্রয়োজনে তার উপজেলা কার্যালয়ে গিয়েও তাকে পান না। এতে জনসাধারণকে চরম ভোগান্তি পোয়াতে হচ্ছে।বড়লেখা পৌরসভার ৯ নং ওয়ার্ডের বাসিন্দা খলিলুর রহমান জানান, পৌরসভা সভা থেকে একটি সনদ উত্তোলনের প্রয়োজন দেখা দিলে আবেদনে উপজেলা যুবউন্নয়ন অফিসার জামাল উদ্দিনের স্বাক্ষরের প্রয়োজন দেখা দেয়। ১৩ আগস্ট উপজেলা কার্যালয়ে গিয়ে তাকে না পেয়ে ফিরে আসেন। এরপর আরো তিন দিন গিয়েও তাকে না পাওয়ায় যে প্রয়োজনে সনদ উত্তোলন করতে চেয়েছিলেন সেই সুযোগের মেয়াদ চলে যায়। ওই ভুক্তভোগি বলেন উনার দায়িত্বহীনতায় তার বড় ক্ষতি হয়ে গেল। আরো দুইজন ভুক্তভোগি জানান, পৌরসভার একটি কাগজে স্বাক্ষর আনতে গিয়ে উনাকে অফিসে পাওয়া যায়নি। সর্বশেষ গত বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) উপজেলা যুবউন্নয়ন অফিসে গেলেও অফিসারকে পাননি।
নির্ভরযোগ্য সূত্র জানিয়েছে, উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা জামাল উদ্দিন, ১২ আগস্ট অর্ধদিবস অফিস করে বেরিয়ে যান। এরপর আর অফিসে আসেননি। ৩০ আগস্ট দুপুরে কিছু সময়ের জন্য অফিসে থেকে দুইটার দিকে চলে যান। জানা গেছে, যুবউন্নয়ন অধিদপ্তরের উপপরিচালকের কাছ থেকে মৌখিকভাবে তিন দিনের ছুটি নিয়ে ১২ আগস্ট অফিস ছাড়েন। এর প্রায় ১৭ দিন পর নিজ কর্মস্থলে ফিরেন।এব্যাপারে জানতে রোববার বেলা দুইটার দিকে উপজেলা যুবউন্নয়ন কর্মকর্তা জামাল উদ্দিনের অফিসে গেলে থাকে পাওয়া যায়নি। মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করা হলে বলেন, তিনি ছুটি নিয়ে গেছেন। এছাড়াও ট্রেনিংয়ে ঢাকায় ছিলেন। রোববার অফিসে এসেই ফিল্ডে গেছেন। অফিসের হাজিরা খাতায় স্বাক্ষর করেছেন কি-না এবং ফিল্ডে গিয়ে থাকলে মুভম্যান্ট রেজিষ্ট্রারে লিপিবদ্ধ করেছেন কি-না জানতে চাইলে বলেন, এসবের সময় পান না।
জৈন্তাবার্তা/সুলতানা




