ছবি:সংগৃহীত
সিলেট সদর উপজেলায় কর্মরত থাকাকালে দুর্নীতি ও অনিয়মের অভিযোগ ওঠার পর বদলি হয়ে জগন্নাথপুরে যোগ দেওয়া পরিবার পরিকল্পনা বিভাগের কর্মকর্তা ডা. সুর্বনা রায় তুলি যোগদানের দিন স্থানীয় সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলতে অনীহা প্রকাশ করেছেন। একই সঙ্গে গণমাধ্যমে বক্তব্য দেওয়ার আগে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের অনুমতি নেওয়ার কথা জানিয়েছেন তিনি।
বুধবার অফিসে যোগদানের পর স্থানীয় সাংবাদিকরা তার কাছে পূর্বের কর্মস্থলে ওঠা বিভিন্ন অভিযোগের বিষয়ে জানতে চান। এ সময় তিনি জানান, ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের অনুমতি ছাড়া গণমাধ্যমে কোনো বক্তব্য দেবেন না।
সিলেট সদর উপজেলায় দায়িত্ব পালনকালে ডা. সুর্বনা রায় তুলির বিরুদ্ধে দুর্নীতি, ঘুষ লেনদেন ও প্রশাসনিক ক্ষমতার অপব্যবহারের অভিযোগে বিভিন্ন গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশিত হয়। এসব সংবাদ প্রকাশের পর তাকে ‘স্ট্যান্ড রিলিজ’ করে জগন্নাথপুরে বদলি করা হয় বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।
বৃহস্পতিবার দুপুর ১২টার দিকে নতুন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. ইসলাম উদ্দিনের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন ডা. সুর্বনা রায় তুলি। পরে স্থানীয় সাংবাদিকরা তার কাছে নতুন কর্মস্থলে যোগদান ও পূর্বের অভিযোগ নিয়ে প্রতিক্রিয়া জানতে চাইলে তিনি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের অনুমতির বিষয়টি উল্লেখ করেন।
তার এ অবস্থান নিয়ে স্থানীয় সাংবাদিকদের মধ্যে অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। জগন্নাথপুর প্রেসক্লাবের সভাপতি তাজ উদ্দিন আহমেদ বলেন, ‘নতুন পদে যোগদান করেই মিডিয়ার বিরুদ্ধে কথা বলা ঠিক নয়। আমরা এর তীব্র নিন্দা জানাই।’
তবে এ বিষয়ে সুনামগঞ্জ জেলা পরিবার পরিকল্পনা বিভাগের উপপরিচালক তপন কান্তি ঘোষ জানান, সাংবাদিকদের বক্তব্য দেওয়ার ক্ষেত্রে আগে থেকে অনুমতি নেওয়ার মতো কোনো নীতিমালা নেই। সাংবাদিকরা প্রশ্ন করলে সঠিক তথ্য দিয়ে উত্তর দেওয়াই নিয়ম। তিনি বলেন, ‘আমি তাকে এ ধরনের কথা না বলার জন্য নির্দেশ দেব।’
উপপরিচালক আরও জানান, ডা. সুর্বনা রায় তুলির নতুন কর্মস্থল জগন্নাথপুরের কিছু কর্মচারীর বিরুদ্ধে অভিযোগ রয়েছে। তদন্তের ভিত্তিতে তাদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।
জৈন্তা বার্তা/ ওয়াদুদ




